আলোকিত প্রবাসী ফান্ড জুড়ীর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন।

আলোকিত প্রবাসী ফান্ড জুড়ীর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। আলোকিত প্রবাসী ফান্ড জুড়ী ‘র ২০২০ অর্থ বছরের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
আলোকিত প্রবাসী ফান্ড জুড়ীর সকল সদস্যের সম্মতিক্রমে নতুন কার্যনির্বাহি কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

এতে মোঃ সুমন আহমদ সভাপতি এবং মোঃ মশিউর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
কমিটির অন্যন্য সদস্যরা হলেন :- সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান,মোঃ সোহেল আহমেদ, মোঃ সমছু মিয়া। যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজিদুর রহমান সজিব,হুসাইন আহমদ আলম,মোঃ জালাল আহমেদ। কোষাধ্যক্ষ মোঃ কায়কোবাদ হোসেন আলী,সহ অর্থ সম্পাদক মোঃ আলাল মিয়া,মোঃ সাব্বির রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান , সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান মুরাদ,মোঃ ফরহাদ আহমেদ লিমন।প্রচার সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম, সহ-প্রচার মোঃ সাইফুর রহমান,মুহাম্মদ সাজু আহমেদ,মোঃ মুজিব,মোঃ আলী আব্বাস,তথ্য সম্পাদক মোঃ আলী আইয়র খান,সহ- তথ্য সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ,মোঃ আক্তার হোসাইন। পরিকল্পনা সম্পাদক মোঃ হেলাল মিয়া,মোঃ হাবিবুর রহমান।ত্রান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফরিদ আলী,সহ- ত্রান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হেলাল মিয়া,মোঃ সাঈদ আহমদ। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাফেজ ওসমান,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রাসেল আহমদ,সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাসুক মিয়া। এছাড়া আরো ৩২ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটির করা হয়।

উক্ত সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ নতুন কমিটির সদস্যদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

“আপন”

       হাবিবুর রহমান মুরাদ

অবুঝ দু’টি চোখ।

!! ফেসবুক জগতের দুষ্টু পোলা
অবুঝ আমার মন
!! কেউ জানে না জগৎ জুড়ে
কে তার আপন জন

!! আপন মনে ঘুরে বেড়ায় ঐ
নীল্ আকাশের বুকে
!! তাইতো নিজে দুখী হয়েও
সুখী সবার চোখে

!! আজকের এই কবিতা, কাল
সৃতি হয়ে  যাবে
!! মনের খাতায় জানি না
কোন পাতায় লেখা রবে

!!এই জীবনের পাতা উল্টালে একটু পাই দেখা
!! আবছা সব সৃতির মাঝে, আমায়
খুঁজো না সবিই রবে ফাঁকা।

“গন্তব্য”

আব্দুল্লাহ আল মাহি 

ছবি সংরহিত

আচ্ছা বন্ধু, বলতে কি তুমি পারো?কি আছে এমন যা আমায় বানিয়ে দেবে ভালো!আমার এতো পাপকর্ম ধুয়ে মুছে নিয়ে বানিয়ে দিবে আমায় আবার প্রস্ফুটিত আলো!যে আলোয় ভর করে দৌড়ে গিয়ে আমি, জয় করব পাপাচারের ভয়াল আগুন কালো!
আচ্ছা বন্ধু বলতে কি তুমি পারো?নবীন কোনো মাঝি হয়েখারাপ কাজে পা না ডুবিয়েকেমন করে বাইবো তরীলক্ষ্যপানে ফিরে?
বন্ধু, বলতে কি তুমি পারো?হেরার আলো বুকে নিয়েএকদৃষ্টে পথ চেয়েরবের কালাম বুকে নিয়ে কেমন করে পৌছবো আমিনির্দেশিত পথে।

জীবন জীবিকা

হাবিবুর রহমান মুরাদ
২৭/৬/২০২০

হবিগঞ্জ থাকাকালীন ছবি।

জীবন জীবিকার টানে
সেই কবে ভুলে গেছি
শরীরের যত্ন,
পোষাক আশাক জরাজীর্ণ শরীর
এলোমেলো মাথার চুল
পুরাতন জুতা
গায়ের জামাটাও অনেক আগের
হাতের গামছাটাও ছেঁড়া
ময়লা কাপড় গায়ে ঘামের গন্ধ!
রোগ-শোকে ক্লান্ত শরীর
সেই দিকে নেই লক্ষ্য,
জীবন জীবিকার টানে অবিরাম ছুটে চলা
একটুও দাঁড়াবার সময় নেই।

মায়া-মমতা প্রেম ভালোবাসা
সেই কবে হারিয়ে গেছে
সোনালি যৌবন কষ্টের কষাঘাতে
সবই আজ লণ্ডভণ্ড
রূপ লাবণ্য, চুলের সুন্দর্য
আজ আর নেই।

সারাদিন অকল্পনীয় পরিশ্রম
ক্লান্ত দেহ
তবুও একটু দাঁড়াবার সময় নেই,
জীবন যুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম
পরবর্তী জীবনের জন্য, রেখে যেতে চাই
কিছু সঞ্চয়।

তনু মন বারবার প্রশ্ন করে
কিসের সংগ্রাম, কিসের সঞ্চয়
ক্ষণিকের জীবন
সবাই একদিন ভুলে যাবে
হয়তোবা তাই
তবু্ও মন বলে এ কষ্ট
নিজের জন্য নয়
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

“নদী পার”

হাবিবুর রহমান মুরাদ

“””””””””””””””””””””””””””””””””””
মনে নাই কোন সুখ বসে তাই নদীপার
নীরবেই ভেবে যাই কে আমার‌, আমি কার?
ছিলো বল, ছিলো ধন, সখি সখা কতজন
ভাবেসাবে জমিদার যেন হই মহাজন!
তবে আজ কেন হায় বসে এই নদীপার
বলে মন ভাবো আজ, আসলেই তুমি কার?

ছল ছল নদী জলে দুটি চোখ পড়ে যায়
কালো চোখ কালো চুল কার মুখ ভাসে হায়?
চেনা চেনা লাগে তবু মন বলে চেনা নয়,
আসলে তো না চেনার কত শত অভিনয়!

বুকে ওঠে কম্পন ওগো খোদা ওগো রব,
জীবনের দিন বুঝি একে একে গেছে সব!

গ্রাম-বাংলার স্মৃতি।

হাবিবুর রহমান মুরাদ

ছোট্ট হলেও গ্রামটা মোদের
সকল গ্রামের সেরা,

সোনা দিয়ে তৈরী এ গ্রাম
মায়া-মমতায় ঘেরা!
সবুজ ঘাসেতে ভরা মাঠ-ঘাট
দেখতে লাগে বেশ,
গ্রাম-বাংলার রূপ যে কভু
দেখা হয়না শেষ!

জুড়ী নদীর পাড়ে এ গ্রাম
হাওরও আছে মিশে,
মাছ ধরাতে ব্যস্ত জেলে;
কৃষক’ও ফসল চাষে!

এই গ্রামেতেই জড়িয়ে আছে
আমার রঙ্গীন শৈশব,
জানি কখনো পাবোনা আর
হারানো দিন’ ঐসব!

তবু যে মোর প্রেম কমেনা
এই গ্রামেরও প্রতি,
হাজার বছর থাকবে অটুট
গ্রাম-বাংলার স্মৃতি।

হাকালকি হাওরের আঁকাবাকা রাস্তা