গাইবান্ধায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন

তরুণ-তরুণীদের রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি। গতকাল সোমবার সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে পলাশবাড়ী বি. এম. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পেইনে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে দেওয়া হয় এবং তাঁদেরকে রক্ত দানের জন্য উৎসাহিতও করেন। সেই সাথে রক্তের গ্রুপ সংগ্রহ করে একটি ডেটাবেজ তৈরি করা হয়। প্রয়োজনের সময় মুমূর্ষু রোগীদের বিনামূল্যে রক্ত দেওয়া হবে এই ডেটাবেজ থেকে।

এর আগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতিয় সংগীত পরিবেশন এর পর রক্তদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ সাদেকুর রহমান (এম এ) ও সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র প্রতিষ্ঠাতা মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ।

প্রোগ্রামটি পরিচালনা করেন, সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র রংপুর বিভাগের প্রতিনিধি মোঃ শাহ সুলতান শেখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াসিম আকরাম শুভ, হবিগঞ্জ জেলা শাখার অর্থ বিষয়ক সমন্বয়ক মোঃ মনির মিয়া, উজ্জ্বল আহমেদ, আবু সাঈদ প্রমুখ।

সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ‘রক্তদানে মানুষকে উদ্বুব্ধ করা এবং ব্লাড ডোনার সংগ্রহ করার লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচি করে থাকে। এখান থেকে ব্লাড ডোনার লিস্ট করে রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন হাসপাতালে বিনা মূল্যে রক্ত দিয়ে থাকে।’

প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৩ এ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন অলিপুরে বাদশা

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর ৩৯টি স্টলকে পেছনে ফেলে প্রথম পুরস্কার জিতে নিল রাহাত মঈনুদ্দিন মুন্নার ১৪ মণ ওজনের ষাঁড় ‘অলিপুরের বাদশা’

প্রায় ছয় মাস আগে তিনি এই ষাড়টি ক্রয় করেন, তখন তার ওজন ছিল মাত্র ৯ মণ, খামারে এনে তার নাম রাখেন ‘অলিপুরের বাদশা’।

সেরা খামারির পুরস্কার পেয়ে রাহাত মঈন উদ্দিন মুন্না জানান, তার প্রিয় ষাড় অলিপুরের বাদশার ওজন ২০ মণে নিয়ে বিক্রি করবেন।   

প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি  হাসপাতালের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২৩ দিনব্যাপী শায়েস্তাগঞ্জ জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ওই প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ডেইরি খামারিরা গবাদিপশুর ৪০টি স্টল খুলেন। একটি স্টলে মেসার্স আদর্শ এগ্রো ফার্ম থেকে “অলিপুরের বাদশা” (ষাড়) ও “বিগ বস” কে (ষাঁড়) প্রদর্শন করেন খামারি মুন্না।

শাইওয়াল জাতের লাল রঙের নাদুস-নুদুস ষাঁড় ‘বাদশা’ ও ‘বিগ বস’র স্টলে আয়োজক, অতিথিসহ উৎসুক জনতা ভিড় জমাতে থাকেন। পুরো প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীই যেন তাকেজুড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে- এমন পরিস্থিতি বিরাজ করে প্রদর্শনীর মাঠে। 

রাহাত মঈন উদ্দিন মুন্নার খামারের নাম মেসার্স আদর্শ এগ্রো ফার্ম, তিনি জানান, উন্নত জাতের ষাঁড় ও গাভি পালন তার দীর্ঘদিনের শখ। প্রায় দুই বছর আগে উপজেলার অলিপুর স্কয়ার গেইটের পাশেই খামারটি করেন, তার খামারে ৩৫টি গাভি ও ষার ছাড়াও রয়েছে ৬ হাজার সোনালি মুরুগ, ছাগল, পাতি হাঁস, রাজ হাস, কবুতর ইত্যাদি।

শনিবার(২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নাজরাতুন নাঈম’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির, সংসদ সদস্য হবিগঞ্জ ৩  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল, চেয়ারম্যান শায়েস্থগঞ্জ উপজেলা পরিষদ, উপস্থিত ছিলেন জনাব গাজিউর রহমান ইমরান, বাইশ চেয়ারম্যান শায়েস্থগঞ্জ উপজেলা পরিষদ,
মোছাঃ মুক্তা আক্তার, মহিলা বাইশ চেয়ারম্যান শায়েস্থগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রমুখ।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দীন জানান, আদর্শ এগ্রো ফার্ম’র ‘অলিপুরের বাদশা’ নামক ষাঁড়টির কারণেই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন।

“অলিপুরের বাদশা” দেখছি জনাব আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির মহোদয় মাননীয় সংসদ সদস্য হবিগঞ্জ ৩।

জুড়ীতে সেইভ লাইফ এর ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সম্পন্ন হয়েছে।

মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’

এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কাটার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। 

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারী) মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার মক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি এর আয়োজনে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও সেচ্ছাসেবী মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ২য় রক্তদাতা মোঃ মোশারফ হোসনের সভাপতিত্বে ও মোঃ জয়দল হোসেনর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মোঈদ ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ইসহাক আলী, ভুকশিমইল কলেজের প্রভাষক জনার জহিরুল ইসলাম সরকার, কবি ও সাংবাদিক  এম রাজু আহমেদ, ডাঃ খালিদ সাইফুল্লাহ এম বি বি এস রংপুর মেডিক্যাল কলেজ, জুড়ী থাকার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোশাররফ হোসেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মুজিবুর রহমান সহ বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ।


 অতিথিবৃন্দ বক্তব্যে বলেন, “সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি” একটি মানবিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই সংগঠন গত ১বছরে বিভিন্ন স্থানে ফ্রী ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেই, জনসচেতনতামূলক প্রচারনায় লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মহীন অসহায় পরিবার সহ মুমূর্ষু রুগীকে নগদ অর্থ দিয়ে পাশে দাড়িয়েছর। এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমাদের সার্বিক সহযোগিতা থাকলে এ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুপ্রাণিত হবে। 

সেইফ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ বলেন গত বছরের এই দিনে আমরা প্রথমে ৩জনে পরামর্শ করে সংগঠনটি শুরু করি, আমার সাথে ছিলেন বর্তমান প্রধান পরিচালক আনোয়ার হোসেন আকাশ ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রকি,

পরে আমাদের সাথে যুক্ত হোন মালোশিয়া প্রবাসী বর্তমান সহ পরিচালক রাসেল আহমেদ ও ওয়াসীম আকরাম শুভ। শুরুতে মাত্র এই ৫ জন সদস্য নিয়ে এই সংঘঠনটি শুরু করি বর্তমানে আমাদের মেম্বার সারে ৫ হাজার প্লাস প্রায়। তার মধ্যে দায়িত্বশীল রয়েছে ৩শ জনেরও বেশি। আমরা এই একবছরে সবার সহযোগিতায় ৫০২০ ব্যাগ রক্ত ডোনেট করতে পেরেছি। এই ৫০২০ ব্যাগ ব্লাড ম্যানেজ করতে আমাদের প্রতিটি সেচ্ছাসেবীর অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। সকলের সহযোগিতায়’ই আমরা এতোটুকু করতে পেরেছি।

পরিশেষে অতিথিদেরকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং সামাজিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় উপজেলার ৭টি সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনকে ১৫ জন সেচ্ছাসেবীকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র প্রধান পরিচালক আনোয়ার হোসেন আকাশ, কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রকি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক সহ সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি রংপুর বিভাগ শাখার উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসুচি সম্পন্ন হয়েছে।

সোম বার (৫ সেপ্টেম্বর) রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলায় পাবনাপুর হাইস্কুল মাঠে এ কার্যক্রম হয়েছে। এতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিনামূল্যে রুক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেছে।

কর্মসূচিতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পাশাপাশি রক্তদানের প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করেন।

সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র প্রতিষ্ঠাতা মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখি সেই দিনের, যে দিন এই রক্তস্নাত বাংলায় সকল মানুষ তার রক্তের গ্রুপ জানবে এবং রক্তদানের বিষয়ে সচেতন হবে।
সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি ধারাবাহিক ভাবে সারা বাংলাদেশে এ কর্যক্রম অব্যাহত রাখবে ইনশাআল্লাহ।

সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আবু সাইদ বলেন, ‘রক্ত যেহেতু আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই রক্তের গ্রুপ জেনে রাখাটা খুবই জরুরি। রংপুর বিভাগের প্রতিটি জেলা উপজেলায় আমরা ধীরে ধীরে এ রকম কার্যক্রম পরিচালনা করবো, ইনশাআল্লাহ।’

এসময় অন্যানদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’র রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধী মোঃ শাহ সুলতান শেখ, হাবিবুর রহমান সাগর, সাদমান সৌরব, তুহিন আহমেদ,মেহেদি হাসান কানন, তৌফিক উমর তানিম, নয়ন আহমেদ প্রমুখ।

কলুষিত সংস্কৃতির প্রভাবে আদর্শভ্রষ্ট তরুণ ও যুব সমাজ

এক সময় তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতীসহ বিভিন্ন বয়সের লোকেরা সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখত। সিনেমা হলে নতুন সিনেমা আসলে এলাকায় মাইকিং করা হতো। বলা হতো ‘সপরিবারে দেখার মতো ছবি’।

কিন্তু এখন গ্রামের অনেক সিনেমা হল বন্ধ। নতুন সিনেমা আসার মাইকিংও এখন আর শোনা যাচ্ছে না। এর মানে এই নয় যে এখন আর কেউ সিনেমা দেখেনা? তা কিন্তু নয়, মানুষ এখনো সিনেমা দেখে।

বরং এখন সপরিবারে দেখার মতো সিনেমা খুব কমই তৈরি হয়। বিশেষ করে কিছু অশ্লীল সিনেমা নির্মাণের কারণে রুচিশীল দর্শকরা সিনেমা ছেড়েছে।

একই সঙ্গে সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়েছে। আর হলে গিয়ে সিনেমা দেখার প্রবণতা কমে যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে- এখন প্রায় সব মানুষের হাতের মুঠোয়ই সিনেমা রয়েছে।

ঘরে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও হাতে ইন্টানেট সংযোগসহ মোবাইল ফোনে এখন সিনেমা দেখা যায়। শুধু সিনেমাই নয়, অশ্লীল নানা ফিল্ম তৈরি করে ইউটিউব ও ফেসবুকে ছেড়ে দিচ্ছে এক ধরনের কুরুচি সম্পন্ন পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ীরা।

এরা তরুণ ও যুবসমাজকে টার্গেট করে অশ্লীল ও যৌন উত্তেজক ভিডিও নির্মাণ করছে এবং ইউটিউব এবং ফেকবুকসহ নানা মাধ্যমে ছেড়ে দিচ্ছে।

আর এসব অশ্লীল পর্নোগ্রাফি দেখে দেখে বিকৃত মানসিকতার মানুষ তৈরি হচ্ছে সমাজে। তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। খুন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে এসব অশ্লীল ভিডিও অনেকংশেই দায়ী।

আমাদের আগামী প্রজন্মকে যদি স্বাভাবিক জীবন উপহার দিতে চাই তাহলে আমাদের অবশ্যই সব ধরনের পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল ফিল্ম কঠোরভাবে বন্ধ করে দিতে হবে।

গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের আকাশ-বাতাসকে গ্রাস করে চলছে অপসংস্কৃতির কৃষ্ণ-কালো ছোবল। জীবনের সাথে সংস্কৃতির সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। সমাজে বসবাসরত মানুষের প্রত্যেকটি কার্যকলাপই তাদের সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান।

কোনো সমাজই তাদের সংস্কৃতিকে অস্বীকার করতে পারে না। মূলত সংস্কৃতি এবং জীবন একে-অপরের পরিপূরক। “সংস্কৃতি মানে সুন্দরভাবে, বিচিত্রভাবে, মহৎভাবে বাঁচা” অর্থাৎ বেঁচে থাকার জন্য মানুষের নৈমিত্তিক প্রচেষ্টাই সংস্কৃতি, আর অপসংস্কৃতি হলো এর বিপরীত।

আত্মার মৃত্যু ঘটিয়ে অসুন্দরের উপাসনা করে, অকল্যাণের হাত ধরে বেঁচে থাকাই অপসংস্কৃতি। অপসংস্কৃতি মানুষকে কলুষিত করে এবং জীবনের সৌন্দর্যের বিকাশকে স্তব্ধ করে দিয়ে শ্রীহীনতার দিকে ঠেলে দেয়। আজকের তরুণেরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

কিন্তু অপসংস্কৃতি তাদের জীবনকে ধ্বংসের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। যুবসমাজ শুদ্ধ সংস্কৃতি সাধনার পথ থেকে বিচ্যুত। তারা অসুন্দর ও কলুষিত সংস্কৃতি তথা অপসংস্কৃতির শিকার। যুবসমাজের একটা বড় অংশকে সুকৌশলে করা হয়েছে আদর্শভ্রষ্ট। সুন্দর জীবনের পথ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্ধকার জীবনের পথে। তারা তলিয়ে যাচ্ছে অন্ধকার জগতে, অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে মাদকের নেশায়।

বিপুল সংখ্যক তরুণের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অস্ত্র, জড়িয়ে ফেলা হয়েছে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড। তারা লিপ্ত হচ্ছে অসামাজিক কাজে। হিংসাশ্রয়ী-অশ্লীল চলচ্চিত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিপন্থী বিকৃত রুচির নাচ-গান, রুচিগর্হিত পোশাক-পরিচ্ছদের প্রতি তাদেরকে আকৃষ্ট ও অনুরক্ত করার গভীর নীলনকশা ধীরে ধীরে কার্যকর হচ্ছে।

পোশাক-পরিচ্ছদে আমাদের নিজস্ব একটি ঐতিহ্য ছিল। বিদেশি সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসার ও চর্চা আমাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক-পরিচ্ছদে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। জিন্স, টি-শার্ট, স্কার্ট এখন আমাদের ছেলেমেয়েদের খুবই প্রিয়। শাড়ি-লুঙ্গি কিংবা পাজমা-পাঞ্জাবি এখন আর তাদের কাছে তেমন গুরুত্ব পায় না। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সমাজে অশ্লীলতা ছড়ানোয় বাংলাদেশে জাতীয় জীবনে অপসংস্কৃতির প্রবল প্রতাপ লক্ষণীয়। অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ব্যক্তিগত লোভ-লালসা চরিতার্থ করার এক উদ্ভট জোয়ার চলছে এ দেশে। বিশেষত এ দেশের তরুণ সমাজ আজ দিকভ্রান্ত, দিশেহারা। তাদের বেঁচে থাকার সাথে নীতির সম্পর্ক নেই। এই বোধ থেকেই অপসংস্কৃতির জন্ম হয়। সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা এখন হাস্যকর দুর্নীতি এখন সামাজিকভাবে স্বীকৃত। আর এখন অনৈতিকতার সূত্রপাত হচ্ছে মানুষের অসৎ জীবিকার্জনের হাত ধরে। সৎভাবে যে জীবিকার্জন না করে তার পক্ষে অপসংস্কৃতির দাসত্ব ছাড়া উপায় নেই। প্রতিদিনের সংবাদপত্র আমাদের সামনে যে চালচিত্র তুলে ধরে, তাতে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন অতি স্পষ্ট। অশ্লীলতা, নোংরামি, খুন, ছিনতাই, প্রতারণা সবই অপসংস্কৃতির ভিন্ন ভিন্ন নাম। আমাদের সমাজ আজ এসবেরই দাসত্ব করে চলেছে।

অপসংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের গোটা জাতিকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। বিদেশি ফিল্ম, ভারতীয় সিরিয়াল পারিবারিক সম্প্রীতি ও শান্তির পরিবেশে নাটকের মধুমাখা ভাষায় চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিষ মিশাচ্ছে। আকাশ সংস্কৃতির যন্ত্রণায় এমনিতে পুরো জাতি অতিষ্ঠিত। তার সাথে পশ্চিমা সমাজের অশ্লীলতা মোকাবেলা করা তো আরো কঠিন হয়ে গেছে। বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক, উগ্র পোশাক ও জীবনাচারের প্রচলন সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে। ভারতীয় টিভি সিরিয়াল আর পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুসরণ নেশার মতো। নেশা যেমন একটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করে। ঠিক তেমনি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও একটি দেশকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়। আমাদের সমাজে পশ্চিমা সংস্কৃতির ভোগবাদ, পোশাক-পরিচ্ছদ, অশ্লীলতা আর বেলেল্লাপনার মহোৎসব চলছে। যে কারণে বাড়ছে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, বিবাহ-বিচ্ছেদ, অনৈতিক জীবনযাপনের অন্ধকারময়তার বিকৃত অনাচার। স

মাজের মধ্যে এইসব নেতিবাচক পরিবর্তন বাতাসের গতিকেও হার মানায়। একশ্রেণির খুচরা অন্ধ বুদ্ধিজীবী রয়েছেন যারা সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে নারাজ। এসব থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। নতুন প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। তা না হলে এমন অন্ধকার রাত নেমে আসবে- যার সুবহে সাদিক হওয়া অসম্ভব।

পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জুড়ীতে জলাবদ্ধতা

হাবিবুর রহমান মুরাদ

ছবি সংরহিত।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ভবানীগঞ্জ বাজর হাসপাতাল ও কলেজ রোডে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বাসস্ট্যান্ড থেকে হাসপাতালে যাওয়ার সড়কে পানি জমে যায়।

আজ বুধবার বৃষ্টিতে সড়কে পানি জমায় আব্দুল আজিজ মেডিক্যালে আসা ও ভর্তি থাকা রোগী এবং তাদের স্বজনদের পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, ব্যাবসায়ী সহ ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীদের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের মানুষ, একটি কলেজ, একটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মানুষ সহ স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা এই রোড হয়েই আসা-যাওয়া করে। আধা কিলোমিটারেরও কম দৈর্ঘ্যরে এই সড়কের পাশে ড্রেন না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ৯ টায় আব্দুল আজিজ মেডিক্যাল রোডে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টিতে ভিজে মানুষ পানি মাড়িয়ে চলাচল করছে।

হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা রিকশাচালক বলেন, একদিন একটু বৃষ্টি হলে হাঁটুপানিতে রিকশা নিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয়।
স্থানীয়দের দাবি হাসপাতাল ও কলেজের সার্থে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক।

জুড়ীতে ফ্রী ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন

মানবিক স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন ‘সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি’ এর উদ্যোগে দিনব্যাপী রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জুড়ী উপজেলা চত্বর নাইট চৌমুহনীতে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিনামূল্যে তিন শতাধিক মানুষের ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।

ক্যাম্পেইন উদ্বোধনকালে উপজেলা দুদকের চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলাম তারা মিয়া বলেন, সেইভ লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি একটি সাহসী সংগঠন। রক্তদান একটি সাহসী কাজ, আর সাহসী কাজ করতে হয় ইয়াং জেনারেশনকে। যে রক্ত দিতে পারে সে নিঃসন্দেহে ভালো কাজ করে।’

রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করতে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি খুব ভালো একটি উদ্যোগ, যার ফলে আমরা অনেকে ব্লাড গ্রুপ জানতে পেরেছি। পাশাপাশি আমাদের জন্য কিংবা আমাদের কোনো রিলেটিভের জন্য রক্ত লাগলে সেইব লাইফ ব্লাড ডোনেট সোসাইটি থেকে সংগ্রহ করতে পারবো।

সংগঠনে পরিচালক বলেন- বর্তমানে যেকোন কাজেই রক্তের গ্রুপ প্রয়োজন হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষেরা অধিকাংশই তাদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে অবহিত না। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও অনেকে তাদের রক্তের গ্রুপ জানে না। এজন্য আমরা তাদেরকে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে ফ্রী ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছি।

সংগঠনের পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ এর সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জুড়ী উপজেলা দুদকের চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলাম তারা মিয়া, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, মক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক আলী, বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ রাজু আহমেদ রাজু, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ নুরে আলম প্রমুখ।

সংগঠন পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন-
১/ আনোয়ার হোসেন আকাশ।
২/ মোঃ রাসেল আহমেদ, (মালোশিয়া প্রবাসী)
৩/ মোঃ রাকিবুল ইসলাম করি।
৪/ মোঃ হাবিবুর রহমান মুরাদ।

অভিমান!

আনোয়ার হোসেন আকাশ।

অভিমানী দু’চোখ
কতদিন তোমায় দেখে না
অস্থির আবরনে পুড়ে যায় তবু একা
অভিমানী এ মন
তোমার স্মৃতিতে আজও কাতর!
ব্যস্ত আমি ভুলে যাচ্ছি দেখো তোমায়
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না!
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না
ভয় পেয়ো না, ফিরে তাকাবো না
কখনো আর ডাকবো না!
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না!
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না!
বর্ষপঞ্জিকার ছেঁড়া পাতায়
দাগ কাটা দিনগুলোতে
একটুখানি সময় শুধু বাঁধা
এতোটুকুই দেবো তোমায়
এর বেশি একটু নয়
নিয়ম করে এতোটুকুই তুমি আমার!
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না!
লাল শাড়িটা তুমি আমার জন্যে পড়লে না
আমার নামের পদবীটা নিলে না,
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না!
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার…

ছবিঃ- আনোয়ার হোসেন আকাশ।

অভিমান!

আনোয়ার হোসেন আকাশ।

অভিমানী দু’চোখ
কতদিন তোমায় দেখে না
অস্থির আবরনে পুড়ে যায় তবু একা
অভিমানী এ মন
তোমার স্মৃতিতে আজও কাতর
ব্যস্ত আমি ভুলে যাচ্ছি দেখো তোমায়
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না
ভয় পেয়ো না, ফিরে তাকাবো না
কখনো আর ডাকবো না
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না
বর্ষপঞ্জিকার ছেঁড়া পাতায়
দাগ কাটা দিনগুলোতে
একটুখানি সময় শুধু বাঁধা
এতোটুকুই দেবো তোমায়
এর বেশি একটু নয়
নিয়ম করে এতোটুকুই তুমি আমার
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার হবে না
লাল শাড়িটা তুমি আমার জন্যে পড়লে না
আমার নামের পদবীটা নিলে না
অভিমান আমার
কখনো অন্ধকার ঘরে একা
অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম
তা তোমার কখনো হবে না
অভিমান আমার
কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত
ধুম্রজালে এ ঠোঁট
এ ঠোঁট আর তোমার…

ছবিঃ- আনোয়ার হোসেন আকাশ।

সিগারেট!

হাবিবুর রহমান মুরাদ

যা আছে নিয়ে নাও,
দাও একটি সিগারেট,
এই জগতে বাস আমার,
সবার চোখে ইনকারেক্ট ৷
প্যাকেটে লিখা থাকে,
ধূমপানে স্ট্রোক”,
বুঝে খাই, সব জায়গায়,
কাশি আমি খুক খুক ৷
ক্যান্সার হয় সিগারেটে,
থাকে নাকি নিকোটিন,
পকেটে থাকলে,তিন প্যাকেট
কেটে যায় সারাদিন ৷
যা খাই ভাত-মাছ,
খাওয়ার পর কয়েক টান,
মজা পাই, তাই খাই ,
না খাইলে যাই প্রাণ ৷
সিগারেট খেলে বন্ধু হয়,
জমে যায় আড্ডা,
বার মাস চলে যায়,
নেই গরম , ঠান্ডা ৷
টাকা নেই পকেটে,
খাই যদি সিগারেট,
দূর হয় চিন্তা,
না খেলে আপসেট ৷
ছেড়ে দাও সিগারেট,
প্রেমিকার অনুরোধ,
সুযোগ পেলে আড়ালে খাই,
আমি নয় নির্বোধ ৷
মানুষ দেখে টের পাই,
কালো হয় লাল ঠোঁট,
গালি দেয় ভাই-বোন,
তারা হয় একজোট ৷
মুখ সামলে কথা বলি,
বের হয় দুর্গন্ধ,
ব্রাস করি উপর নিচে,
বত্রিশ দাঁত মন্দ ৷
ডাক্তার, মোক্তার ,
সকল ভাইয়ের হতাশা,
ধূয়া খাই, শান্তি পাই
প্রচন্ড সিগারেটের নেশা ৷
সিগারেট খাওয়া মহাপাপ,
কেউ বলেন জোর গলায়,
যে খাই সে বলে,
“নিষেধ করে কোন হালায়” ৷